Mantra.Tips

বর্হাপীডাভিরামায় গোবিন্দায় নমো নমঃ — Word-by-Word Meaning

बर्हापीडाभिरामाय गोविन्दाय नमो नमः

Every Sanskrit word explained in English

Word-by-Word Breakdown

बर्हापीड
barha-pida
ময়ূরপুচ্ছের মুকুট / শিখামণি
अभिरामाय
abhiramaya
যিনি (ময়ূরপুচ্ছের মুকুটে) মনোহর ও রমণীয়, তাঁকে
रामाय
ramaya
যিনি সবাইকে আনন্দ দেন, আনন্দের উৎস, তাঁকে
अकुण्ठमेधसे
akuntha-medhase
যিনি অকুণ্ঠিত, সদা তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন, তাঁকে
रमा
rama
রমা (লক্ষ্মী), সৌভাগ্যের দেবী
मानस
manasa
মন, মানস-সরোবর
हंसाय
hamsaya
সেই হংসকে (যে লক্ষ্মীর মনের সরোবরে বিহার করে)
गोविन्दाय
govindaya
গোবিন্দকে, গাভী ও পৃথিবীর রক্ষককে
नमो नमः
namo namah
বারবার নমস্কার, আমি পুনঃপুনঃ প্রণাম করি

Complete Translation

গোবিন্দকে বারবার নমস্কার — যিনি ময়ূরপুচ্ছের মুকুটে মনোহর, সমস্ত আনন্দের উৎস, অকুণ্ঠিত এবং সদা তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন, এবং যিনি রমা (লক্ষ্মী)র মানস-সরোবরে বিহারকারী হংস।

Origin & History

Source: Traditional Krishna namaskara (salutation) shloka recited in Vaishnava worship of Govinda

Author: Traditional (anonymous)

Period: Classical / medieval devotional period

এই নমস্কার-শ্লোক গোবিন্দের চারটি প্রিয় রূপ — তাঁর ময়ূরপুচ্ছ-মুকুটের সৌন্দর্য, আনন্দ-দায়ক স্বভাব, অকুণ্ঠ বুদ্ধি, এবং লক্ষ্মীর হৃদয়ের হংস হওয়া — একটি মনোহর নমস্কারে গাঁথে। এর সুমধুর ছন্দ ও দ্বিগুণ 'নমো নমঃ' একে সেই ভক্তদের মধ্যে একটি প্রিয় প্রণাম-শ্লোক করে তোলে যাঁরা কৃষ্ণকে গোবিন্দ, গাভীদের সর্ব-মনোহর রক্ষক, রূপে সম্বোধন করেন।

Frequently Asked Questions

'বর্হাপীডাভিরামায়'-এর অর্থ কী?
এর অর্থ 'ময়ূরপুচ্ছের মুকুটে মনোহর হয়ে ওঠা প্রভুকে', যা কৃষ্ণ/গোবিন্দের একটি নাম। পূর্ণ শ্লোকটি একটি নমস্কার: 'গোবিন্দকে বারবার নমস্কার', যা তাঁর সৌন্দর্য, আনন্দময় স্বভাব, তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও লক্ষ্মীর হৃদয়ে নিবাসের স্তুতি করে।
'লক্ষ্মীর মানস-সরোবরে হংস'-এর চিত্র কী?
'রমা-মানস-হংসায়'-এর অর্থ সেই হংস যে রমা অর্থাৎ লক্ষ্মীর মানস (মন-সরোবর)-এ বিহার করে। যেমন হংস স্বচ্ছ সরোবরে আনন্দ পায়, তেমনি গোবিন্দ সদা সৌভাগ্যের দেবীর হৃদয়কে আনন্দিত করেন — এটি বলার কাব্যময় রীতি যে তিনি লক্ষ্মীর প্রিয় প্রভু।
শ্লোক 'নমো নমঃ' দুবার কেন বলে?
'নমো নমঃ'-এর পুনরাবৃত্তির অর্থ 'আমি বারবার প্রণাম করি', যা গভীর ও নিরন্তর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে। এমন বারবার নমস্কার ভক্তি-শ্লোকের বৈশিষ্ট্য, যা জানায় যে প্রভুর সামনে একটি প্রণাম কখনও যথেষ্ট নয়।
এই শ্লোক পূজায় কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
এটি কৃষ্ণ-পূজা ও ভজনের পূর্বে বা পরে নমস্কার-শ্লোক হিসেবে পাঠ করা হয়, এবং প্রায়ই কয়েকবার পুনরাবৃত্ত হয় বা গোবিন্দের প্রতি ভক্তি ও নম্রতা গড়ে তুলতে জপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Ready to start chanting?

See Benefits & How to Chant →