ভগবদ্গীতা 11.8 — ন তু মাং শক্যসে দ্রষ্টুম্ — Word-by-Word Meaning
श्रीमद्भगवद्गीता ११.८ — न तु मां शक्यसे द्रष्टुम्
Every Sanskrit word explained in English
Word-by-Word Breakdown
न
na
না
तु
tu
কিন্তু
माम्
mām
আমাকে
शक्यसे
śhakyase
তুমি সমর্থ
द्रष्टुम्
draṣhṭum
দেখতে
अनेन एव
anena eva
এই
स्वचक्षुषा
sva-chakṣhuṣhā
তোমার (সাধারণ) চোখ দিয়ে
दिव्यम्
divyam
দিব্য
ददामि
dadāmi
আমি দিই
ते
te
তোমাকে
चक्षुः
chakṣhuḥ
চক্ষু; দৃষ্টি
पश्य
paśhya
দেখো
मे
me
আমার
योगम् ऐश्वरम्
yogam aiśhwaram
ঈশ্বরীয় যোগশক্তি ও ঐশ্বর্য
Complete Translation
কিন্তু তুমি তোমার এই (সাধারণ) চোখ দিয়ে আমাকে দেখতে সমর্থ নও; তাই আমি তোমাকে দিব্য চক্ষু দিচ্ছি। আমার ঈশ্বরীয় যোগশক্তি দেখো!
Origin & History
Source: Bhagavad Gita Chapter 11, Verse 8
Author: Sage Veda Vyasa (Mahabharata, Bhishma Parva)
Period: Ancient (text compiled c. 5th–2nd century BCE)
একাদশ অধ্যায়, বিশ্বরূপদর্শন যোগ, এ অর্জুন শ্রীকৃষ্ণকে তাঁর বিশ্বরূপ দেখার প্রার্থনা করেন। শ্রীকৃষ্ণ সম্মত হন, কিন্তু জানান যে মানব-চক্ষু এমন দর্শন গ্রহণ করতে পারে না। তাই তিনি অর্জুনকে দিব্য চক্ষু প্রদান করেন, এর পর সঞ্জয় — ধৃতরাষ্ট্রকে শোনাতে শোনাতে — পরবর্তী বিশ্বরূপের বিস্ময়কর দর্শন বর্ণনা করেন।
Frequently Asked Questions
ভগবদ্গীতা 11.8-এ শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে কী দেন?▼
শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে 'দিব্য চক্ষু' (দিব্যচক্ষু) প্রদান করেন, একটি বিশেষ আধ্যাত্মিক দৃষ্টি, কারণ বিশ্বরূপ সাধারণ চোখ দিয়ে দেখা যায় না। এই দিব্য দৃষ্টিতে অর্জুন ভগবানের অনন্ত ঐশ্বর্য দেখতে সক্ষম হন।
বিশ্বরূপ ভৌতিক চোখ দিয়ে কেন দেখা যায় না?▼
বিশ্বরূপ দিব্য ও অনন্ত, ভৌতিক ধারণার সীমার বাইরে। যেমন একটি ছোট প্রদীপ সমগ্র আকাশ আলোকিত করতে পারে না, তেমনই সাধারণ চোখ ভগবানের অসীম রূপ গ্রহণ করতে পারে না; কেবল দিব্যভাবে প্রদত্ত দৃষ্টিই তা পারে।
এই শ্লোকে 'যোগমৈশ্বরম্' কী?▼
'যোগমৈশ্বরম্' শ্রীকৃষ্ণের ঈশ্বরীয় যোগশক্তিকে নির্দেশ করে — তাঁর দিব্য, ঐশ্বর্যময় বৈভব এবং সেই রহস্যময় সামর্থ্য যার দ্বারা সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড তাঁর মধ্যে সমাহিত। অর্জুনকে এই পরম শক্তিই দেখতে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
এই শ্লোকের আধ্যাত্মিক উপদেশ কী?▼
এটি শেখায় যে ভগবানের প্রকৃত দর্শন কৃপার উপহার। সাধক ভক্তির দ্বারা হৃদয় শুদ্ধ করতে পারেন, কিন্তু আত্ম-সাক্ষাৎকারের উচ্চতর 'দিব্য দৃষ্টি' শেষ পর্যন্ত ভগবান দ্বারাই প্রদত্ত হয়, যা আমাদের বিনয়ী ও শরণাগত থাকতে মনে করিয়ে দেয়।
Ready to start chanting?
See Benefits & How to Chant →