শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা 3.19 — তস্মাদসক্তঃ সততম্ — Word-by-Word Meaning
श्रीमद्भगवद्गीता ३.१९ — तस्मादसक्तः सततम्
Every Sanskrit word explained in English
Word-by-Word Breakdown
तस्मात्
tasmāt
অতএব
असक्तः
asaktaḥ
আসক্তিহীন
सततम्
satatam
সর্বদা, নিরন্তর
कार्यम्
kāryam
যা করা উচিত, কর্তব্য
कर्म
karma
কর্ম, কাজ
समाचर
samāchara
ভালোভাবে করো, সম্পন্ন করো
असक्तः
asaktaḥ
অনাসক্ত হয়ে
हि
hi
নিশ্চয়ই, কারণ
आचरन्
ācharan
আচরণ করতে করতে, করতে করতে
कर्म
karma
কাজ, কর্ম
परम्
param
পরম (পরমাত্মা)
आप्नोति
āpnoti
লাভ করে, পৌঁছায়
पूरुषः
pūruṣhaḥ
পুরুষ, মানুষ
Complete Translation
অতএব তুমি সর্বদা আসক্তিহীন হয়ে তোমার কর্তব্য-কর্ম ভালোভাবে আচরণ করো; কারণ আসক্তিহীন হয়ে কর্ম করতে করতে মানুষ পরমাত্মাকে লাভ করে।
Origin & History
Source: Bhagavad Gita Chapter 3, Verse 19
Author: Sage Veda Vyasa (Mahabharata, Bhishma Parva)
Period: Ancient (text compiled c. 5th–2nd century BCE)
তৃতীয় অধ্যায় কর্মযোগে অর্জুন জিজ্ঞাসা করেন, জ্ঞান যদি শ্রেষ্ঠ হয় তবে তাঁকে কর্মই কেন করতে হবে। শ্রীকৃষ্ণ ব্যাখ্যা করেন যে কেউ এক মুহূর্তও কর্মহীন থাকতে পারে না, এবং জ্ঞানীরা লোককল্যাণের জন্য কর্ম করেন। এই শ্লোকটি সেই উপদেশের পরাকাষ্ঠা: কর্তব্য নিরন্তর পালন করো কিন্তু আসক্তি ছাড়াই, কারণ নিঃস্বার্থ কর্মই স্বয়ং পরম লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যায়।
Frequently Asked Questions
ভগবদ্গীতা 3.19-এর মূল বার্তা কী?▼
শ্রীকৃষ্ণ শেখান যে মানুষের সর্বদা তার কর্তব্য পালন করা উচিত, কিন্তু ফলে আসক্তি ছাড়াই। নিঃস্বার্থভাবে কর্ম করে — কর্ম এড়িয়ে নয় — মানুষ পরমাত্মাকে লাভ করে। এই শ্লোকটি কর্মযোগের ভিত্তিস্তম্ভ।
এটি বিখ্যাত শ্লোক 2.47 থেকে কীভাবে আলাদা?▼
শ্লোক 2.47 (কর্মণ্যেবাধিকারস্তে) ঘোষণা করে যে তোমার অধিকার কেবল কর্মে, তার ফলে নয়। শ্লোক 3.19 এর উপর এই প্রতিশ্রুতি যোগ করে: যখন তুমি আসক্তি ছাড়াই কর্ম করো, তখন তুমি প্রকৃতপক্ষে পরমাত্মাকে লাভ করো। এটি দেখায় যে অনাসক্ত কর্ম কেবল একটি শৃঙ্খলা নয়, বরং মুক্তির পথ।
'আসক্তি ছাড়াই' মানে কি কর্ম অসাবধানে করা?▼
মোটেই নয়। 'সমাচর' মানে কর্তব্যকে ভালোভাবে ও পূর্ণরূপে সম্পন্ন করা। অনাসক্তি অন্তরের ভাবের দিকে ইঙ্গিত করে — ব্যক্তিগত লাভ বা ক্ষতিতে অনাসক্ত থাকা — তবুও কর্মে নিজের পূর্ণ দক্ষতা ও প্রচেষ্টা দেওয়া।
সাধারণ দৈনন্দিন কর্ম কি আধ্যাত্মিক সাক্ষাৎকারের দিকে নিয়ে যেতে পারে?▼
হ্যাঁ। এই শ্লোক নিশ্চিত করে যে যেকোনো কর্তব্য, নিঃস্বার্থভাবে ও ফলে আসক্তি ছাড়াই করা হলে, পরমাত্মায় পৌঁছানোর উপায় হয়ে ওঠে। সঠিক ভাবে করা কর্ম স্বয়ং একটি সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক পথ।
Ready to start chanting?
See Benefits & How to Chant →