Mantra.Tips

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ৫.২২ — যে হি সংস্পর্শজা ভোগা — Word-by-Word Meaning

श्रीमद्भगवद्गीता ५.२२ — ये हि संस्पर्शजा भोगा

Every Sanskrit word explained in English

Word-by-Word Breakdown

ये
ye
যে
हि
hi
নিশ্চয়ই
संस्पर्शजाः
sansparśha-jāḥ
ইন্দ্রিয়-বিষয়ের সংযোগ থেকে উৎপন্ন
भोगाः
bhogāḥ
ভোগ, সুখ
दुःखयोनयः
duḥkha-yonayaḥ
দুঃখের কারণ, দুঃখের যোনি
एव
eva
ই, কেবল
ते
te
তারা
आद्यन्तवन्तः
ādya-antavantaḥ
আদি ও অন্তযুক্ত
कौन्तेय
kaunteya
হে কুন্তীপুত্র (অর্জুন)
na
না, কখনও না
तेषु
teṣhu
তাতে
रमते
ramate
রমে, আসক্ত হয়
बुधः
budhaḥ
বুদ্ধিমান ব্যক্তি

Complete Translation

হে কৌন্তেয়! ইন্দ্রিয় ও বিষয়ের সংযোগ থেকে উৎপন্ন যে ভোগ, তা দুঃখেরই কারণ, কারণ তা আদি ও অন্তযুক্ত; তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তি তাতে রমে না।

Origin & History

Source: Bhagavad Gita Chapter 5, Verse 22

Author: Sage Veda Vyasa (Mahabharata, Bhishma Parva)

Period: Ancient (text compiled c. 5th–2nd century BCE)

পঞ্চম অধ্যায়, কর্ম-সন্ন্যাস যোগে, শ্রীকৃষ্ণ সেই পুরুষের বর্ণনা করেন যিনি ব্রহ্মে স্থিত, যিনি ভিতরেই আনন্দ পান এবং বাহ্য সুখে অবিচলিত থাকেন। এই শ্লোক তার কারণ ব্যাখ্যা করে: ইন্দ্রিয়-সংযোগ থেকে উৎপন্ন ভোগ নশ্বর ও দুঃখের যোনি, তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তি তাতে নয়, বরং শাশ্বত আত্মায় তাঁর আনন্দ খোঁজেন।

Frequently Asked Questions

ভগবদ্গীতা ৫.২২ এর মুখ্য শিক্ষা কী?
শ্রীকৃষ্ণ শেখান যে ইন্দ্রিয়ের সংযোগ থেকে উৎপন্ন ভোগ প্রকৃতপক্ষে দুঃখের কারণ, কারণ তা ক্ষণিক, আদি ও অন্তযুক্ত। তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তি তাতে আসক্ত হয় না, বরং আত্মার শাশ্বত আনন্দ খোঁজে।
ইন্দ্রিয়-ভোগকে 'দুঃখের যোনি' কেন বলা হয়?
কারণ প্রতিটি ইন্দ্রিয়-সুখ ক্ষণভঙ্গুর — তা উৎপন্ন হয়, ক্ষীণ হয়, এবং পিছনে তৃষ্ণা ও অসন্তোষ রেখে যায়। এমন সুখের পিছনে ছোটা মনকে নিরন্তর অশান্ত ও বদ্ধ রাখে, এবং শেষে সুখের চেয়ে বেশি দুঃখই উৎপন্ন করে।
এই শ্লোক কি সমস্ত ভোগ ত্যাগ করতে বলে?
এটি কঠোর দমনের দাবি করে না, বরং বিবেকের আহ্বান করে। বুদ্ধিমান ব্যক্তি জীবনের আনন্দ নেয়, কিন্তু ইন্দ্রিয়-ভোগের উপর নির্ভরশীল বা তার দাস হয় না, কারণ সে জানে যে সত্যিকারের ও স্থায়ী সুখ ভিতর থেকে আসে, ক্ষণিক বাহ্য বস্তু থেকে নয়।
বুদ্ধিমান ব্যক্তি এর পরিবর্তে কোন শাশ্বত আনন্দ খোঁজে?
গীতা আত্মার আনন্দের দিকে ইঙ্গিত করে — যোগে স্থিত পুরুষের অন্তরের শান্তি ও সন্তোষ। ইন্দ্রিয়-ভোগের বিপরীতে, এই আনন্দ স্থির, স্বয়ংসিদ্ধ এবং আদি-অন্তহীন।

Ready to start chanting?

See Benefits & How to Chant →