গোবিন্দং ভজ মূঢমতে — Word-by-Word Meaning
गोविन्दं भज मूढमते
Every Sanskrit word explained in English
Word-by-Word Breakdown
भज
Bhaja
ভজো, সেবা করো, শরণ নাও, আরাধনা করো
गोविन्दं
Govindam
গোবিন্দ — ভগবান কৃষ্ণ/বিষ্ণু, গাভী ও ইন্দ্রিয়ের রক্ষক
मूढमते
Mudhamate
হে মূঢ/মোহগ্রস্ত বুদ্ধি!
सम्प्राप्ते
Samprapte
যখন সম্পূর্ণ এসে পৌঁছায় / নিকটে আসে
सन्निहिते
Sannihite
যখন সমীপে থাকে, আসন্ন হয়
काले
Kale
সেই (নিয়ত) সময় — মৃত্যুর
नहि नहि
Nahi nahi
একটুও নয়, কখনও নয় (জোরালো পুনরাবৃত্তি)
रक्षति
Rakshati
রক্ষা করে, বাঁচায়, উদ্ধার করে
डुकृञ्करणे
Dukrinkarane
ব্যাকরণের নিয়ম (পাণিনির 'কৃ' ধাতুর রূপ) — শুষ্ক, যান্ত্রিক পাণ্ডিত্যের প্রতীক
Complete Translation
গোবিন্দকে ভজো, গোবিন্দকে ভজো, গোবিন্দকে ভজো, হে মূঢ বুদ্ধি! যখন মৃত্যুর নিয়ত সময় নিকটে আসবে, তখন ব্যাকরণের নিয়ম ('ডুকৃঞ্করণে') তোমাকে এতটুকুও রক্ষা করবে না।
Origin & History
Source: Bhaja Govindam (Moha Mudgara), verse 1 and refrain
Author: Adi Shankaracharya
Period: 8th century CE (circa 788-820)
পরম্পরা অনুসারে, আদি শঙ্করাচার্য তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে বারাণসী (কাশী)-র গলিপথে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি এক বৃদ্ধ পণ্ডিতকে পাণিনির ব্যাকরণ-নিয়ম অত্যন্ত পরিশ্রমে মুখস্থ করতে দেখলেন। করুণায় দ্রবীভূত হয়ে তিনি স্বতঃ এই শ্লোক গাইলেন, সেই বৃদ্ধকে বোঝাতে যে মৃত্যুর সময় ব্যাকরণ তাকে রক্ষা করবে না এবং তার পরিবর্তে গোবিন্দকে ভজা উচিত। এই প্রারম্ভিক শ্লোক সমগ্র স্তোত্রের ধুয়ো হয়ে উঠল, যা প্রতিটি শ্লোকের পর পুনরাবৃত্ত হয়।
Frequently Asked Questions
'গোবিন্দং ভজ মূঢমতে'-এর অর্থ কী?▼
এর অর্থ 'গোবিন্দ (ভগবান)কে ভজো, হে মূঢ বুদ্ধি!' গোবিন্দ কৃষ্ণ/বিষ্ণুর নাম, এবং 'মূঢমতে' মোহগ্রস্ত বুদ্ধিকে সম্বোধন করে। এই পঙ্ক্তি মনকে সাংসারিক বিক্ষেপ থেকে সরিয়ে ভগবানের দিকে ফেরাতে অনুরোধ করে।
এই শ্লোকে 'ডুকৃঞ্করণে' কী?▼
'ডুকৃঞ্করণে' সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম ('কৃ' ধাতুর রূপ)-কে নির্দেশ করে। শঙ্করাচার্য একে শুষ্ক, যান্ত্রিক পাণ্ডিত্যের প্রতীক রূপে ব্যবহার করেন, বলে যে মৃত্যুর সময় এমন পুস্তকীয় জ্ঞান তোমাকে বাঁচাবে না।
এই পঙ্ক্তি এত বার কেন পুনরাবৃত্ত হয়?▼
এটি সমগ্র ভজ গোবিন্দম্-এর ধুয়ো, যা শ্লোকগুলির মধ্যে ফিরে আসে। পুনরাবৃত্তি কেন্দ্রীয় শিক্ষাকে দৃঢ় করে — তাই এই রচনাকে 'মোহ মুদ্গর' অর্থাৎ মোহকে চূর্ণকারী হাতুড়িও বলা হয়।
এই শ্লোক কে রচনা করেছিলেন?▼
আদি শঙ্করাচার্য এটি রচনা করেছিলেন। পরম্পরা বলে যে তিনি বারাণসীতে এক বৃদ্ধ পণ্ডিতকে ভগবানকে খোঁজার পরিবর্তে ব্যাকরণের নিয়ম মুখস্থ করতে দেখে এটি স্বতঃ গেয়েছিলেন।
Ready to start chanting?
See Benefits & How to Chant →