কর্পূরগৌরং করুণাবতারম্ — Word-by-Word Meaning
कर्पूरगौरं करुणावतारम्
Every Sanskrit word explained in English
Word-by-Word Breakdown
कर्पूरगौरं
Karpura Gauram
কর্পূরের মতো শুভ্র/পবিত্র
करुणावतारं
Karunavataram
করুণার অবতার
संसारसारं
Sansara Saram
সংসার/অস্তিত্বের সার
भुजगेन्द्रहारम्
Bhujagendra Haram
সর্পরাজকে মালারূপে ধারণকারী
सदावसन्तं
Sada Vasantam
সদা বিরাজমান
हृदयारविन्दे
Hridayaravinde
হৃদয়কমলে
भवं
Bhavam
শিব (অস্তিত্বের উৎস)
भवानीसहितं
Bhavani Sahitam
ভবানী (পার্বতী) সহিত
नमामि
Namami
আমি প্রণাম করি, বন্দনা করি
Complete Translation
কর্পূরের মতো শুভ্রবর্ণ, করুণার অবতার, সংসারের সার, সর্পরাজকে মালারূপে ধারণকারী সেই শিবকে — ভবানী (পার্বতী) সহিত আমার হৃদয়কমলে সদা বিরাজমান সেই স্বামীকে আমি প্রণাম করি।
Origin & History
Source: Traditional Sanskrit devotional verse
Author: Unknown (ancient tradition)
Period: Ancient
এই শ্লোক হিন্দু মন্দির-পূজার বুননে গাঁথা — ভারতজুড়ে অনুষ্ঠিত প্রতিটি শিব-আরতির সর্বজনীন সমাপ্তি-শ্লোক এটিই। এর চার পঙ্ক্তি শিব-উপাসনার সম্পূর্ণ তত্ত্ব ধারণ করে: তাঁর পবিত্রতা (কর্পূরের মতো শুভ্র), তাঁর স্বরূপ (করুণার অবতার), তাঁর মহাজাগতিক ভূমিকা (অস্তিত্বের সার), তাঁর রূপ (সর্পধারী) এবং তাঁর উপস্থিতি (পার্বতী সহিত সদা ভক্তের হৃদয়ে)।
Frequently Asked Questions
কর্পূরগৌরং কী?▼
এটি চার পঙ্ক্তির সংস্কৃত শ্লোক যা ভগবান শিবকে কর্পূরের মতো শুভ্র, করুণার অবতার, সর্প ধারণকারী এবং পার্বতী সহিত ভক্তের হৃদয়ে সদা বিরাজমান বলে বর্ণনা করে। প্রতিটি শিব-আরতির শেষে এটি জপ করা হয়।
এটি কখন জপ করা হয়?▼
মন্দিরে ও ঘরে প্রতিটি শিব-আরতির সমাপ্তিতে। ধ্যানের সময়, সোমবার এবং মহাশিবরাত্রিতে এটি স্বতন্ত্র মন্ত্র হিসেবেও জপ করা হয়।
শিবকে কর্পূরের মতো শুভ্র কেন বলা হয়?▼
কর্পূর সম্পূর্ণ পুড়ে কোনো অবশেষ রাখে না — এটি অহংকার ও আসক্তিহীন শিবের শুদ্ধ চেতনা স্বরূপের প্রতীক। এর শুভ্রতা পবিত্রতা এবং এর সুগন্ধ দিব্য কৃপার মাধুর্য নির্দেশ করে।
কর্পূরগৌরং করুণাবতারম্ এর অর্থ কী?▼
'কর্পূরগৌরং' অর্থাৎ 'কর্পূরের মতো শুভ্র'; 'করুণাবতারম্' — 'করুণার সাক্ষাৎ অবতার'; 'সংসারসারং' — 'সাংসারিক অস্তিত্বের সার'; 'ভুজগেন্দ্রহারম্' — 'যিনি সর্পরাজকে মালারূপে ধারণ করেন'; 'সদাবসন্তং হৃদয়ারবিন্দে' — 'যিনি হৃদয়কমলে সদা বিরাজ করেন'; 'ভবং ভবানীসহিতং নমামি' — 'সেই ভব (শিব)কে, ভবানী (পার্বতী) সহিত, আমি প্রণাম করি।' এই শ্লোক প্রতিটি আরতির শেষে গাওয়া হয়।
Ready to start chanting?
See Benefits & How to Chant →